This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, December 23, 2016

আপনে কি কোরিয়া যেতে চান?

আসছে কোরিয়া যাওয়ার  নতুন বছরে রেজিস্ট্রেশন।
মাত্র ৮০ হাজার টাকায় সরকারিভাবে কোরিয়া যান !!!
মাসিক বেতন : নূন্যতম ১,০০,০০০ - ২,০০,০০০ টাকা ৷
সার্কুলার আসছে শীঘ্রই ।

কোরিয়াতে ২০১৬ সালে ইপিএস এর মাধ্যমে ১৫টি দেশ থেকে (ম্যানুফাকচারিং, নির্মাণ, ফিশারিজ, এগ্রিকালচার, সার্ভিসিং) বিভাগে মোট লোক নিয়োগ করবে ৫৮০০০ জন । যা ২০১৫ সালের তুলনায় ৩০০০ জন বেশি হবে।
কেন যাবেন কোরিয়া :
কারণ-
বেতন: (মুল+অন্যান্য)১,০০,০০০-২,০০,০০০ টাকা
ছুটি : সপ্তাহে দুই দিন (শনি, রবি)
থাকা খাওয়া : কোম্পানি ।
এছাড়াও আরো অনেক সুযোগ- সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে ।
৪ জুন ২০০৭ তারিখে বাংলাদেশ ও কোরিয়া সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতার আওতায় Employment Permit System (EPS) এর মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ায় শ্রমিক প্রেরণ করে থাকে Bangladesh Oversease Employment Services Limited" (BOESL), বিস্তারিত জানতে BOESL এর Website visit করুন ।
http://www.boesl.org.bd
“এছাড়া অন্যকোন ভাবে শ্রমিক হিসাবে যাওয়া যায়না। যদি কোন প্রতিষ্ঠান শ্রমিক রপ্তানি করে তাহলে আইনত দন্ডনীয় অপরাধ" ।
শর্তাবলী
*আপনাকে অবশ্যই কোরিয়ান ব্যবহারিক ভাষা জানতে হবে ।
* আপনার বয়স ১৮-৩৯ বছর হতে হবে।
* কোরিয়াতে একদিনও অবৈধভাবে বসবাস না করলে।
* কোরিয়ান এয়ারপোর্ট থেকে ফেরত না পাঠায়ে থাকলে।
* জীবনে কোন দিন কারাদন্ড ভোগ করিয়া না থাকলে।
* সরকার কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় পরিচয় পত্র এবং পাসপোর্ট থাকলে।
পরীক্ষার পদ্ধতি :
1.রিডিং + লিসেনিং, ২৫ + ২৫ টা প্রশ্ন আসবে,
2.প্রশ্নের ধরণ : CBT( Computer Based Test) MCQ পদ্ধতি,
3. পূর্ণ মান=৫০+৫০=১০০
সাবধানতা :
যেহেতু, আপনার কোরিয়া যাওয়ার ব্যাপারটা দেখছে বাংলাদেশ সরকার আর কোরিয়ান সরকার সুতরাং মাঝখানে দালাল বা Agency কে, কোন প্রকার টাকা দিয়ে প্রতারিত হবেন না ।
যেহেতু, আপনার কোরিয়া যাওয়ার পূর্বশর্ত হচ্ছে কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা । আর তাই মাশরুম এর মত যেনতেন জায়গায় গড়ে উঠা কোরিয়ান ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ভাষা শিখতে গিয়ে নিজের সর্বনাশ করবেননা । সুতরাং ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে একটু সতর্ক হোন ! ধন্যবাদ ভালো থাকুন।

Tuesday, August 30, 2016

সুরাইয়া আক্তার রিসার খুনিকে গ্রেপ্তারের দাবি,রিসার খুনিকে গ্রেপ্তারে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ

 ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুরাইয়া আক্তার রিসার খুনিকে গ্রেপ্তারের দাবি।


 রাজধানীর কাকরাইলে বখাটের ছুরিকাঘাতে নিহত উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিসার (১৪) হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ মঙ্গলবার আবার সড়ক অবরোধ করেছে তার সহপাঠীরা। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শিক্ষার্থীরা কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নেয়। এতে কাকরাইলসহ আশপাশের সড়কে প্রচণ্ড যানজট দেখা গেছে। 
রিসা হত্যার ঘটনায় ওবায়দুল রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সে যেন পালাতে না পারে, এ জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে পুলিশ। রমনা থানার উপকমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সোমবার এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ওবায়দুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 
মাস ছয়েক আগে স্কুলের ড্রেস বানাতে রিসা মায়ের সঙ্গে গিয়েছিল দরজির কাছে। সেই দরজি ফোন নম্বর পেয়ে উত্ত্যক্ত করত তাকে, পিছু নেয় তার। মৃত্যুর আগে রিসা বলে গেছে, ওই দরজি ওবায়দুলই ছুরি মেরেছে তাকে। পুলিশকেও সে এই জবানবন্দি দিয়েছে।
পুলিশ জানায়, রিসা গত বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে জবানবন্দিতে বলেছে, বখাটে ওবায়দুল তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেছে। হামলার আগের দিনও সে তার পিছু নিয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওবায়দুলকে ধরতে তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জে অভিযান চালানো হয়েছিল। হত্যার পর সেখানে অবস্থান করেছিল সে। কিন্তু গণমাধ্যমে ওবায়দুলের ছবি প্রকাশ হলে গ্রামের বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

Friday, August 19, 2016

লাইসেন্স বাতিল হল ওষুধ কোম্পানী।

লাইসেন্স বাতিল হল ২২ টি ওষুধ কোম্পানীর সুস্থ থাকার জন্য চিনে রাখুন

যে সকল ওষুধ কোম্পানীর লাইসেন্স বাতিল হল  চিনে রাখুন সুস্থ থাকুন, ২১ তারিখের পত্রিকা এই সকল মেডিসিন বাতিলের সাথে সাথে মার্কেট থেকে উঠিয়ে নেয়ার পদক্ষেপ নিলে ভালো হতো নতুবা কিছুদিন যাওয়ার পরে এগুলো আগের মতই চলবেএ ধারা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন এতে করে দুষ্টরা শিষ্টে পরিণত হবে
উৎপাদনের লাইসেন্স বাতিল করা ২২টি কোম্পানি হচ্ছে
. অ্যামিকো ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. অ্যাজটেক ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. বেঙ্গল টেকনো ফার্মা, 
. বেনহাম ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. ডিসেন্ট ফার্মা, 
. . টিআইএম ল্যাবরেটরিজ (সাবেক রেমিডি), 
. গ্লোবেক্স ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. গ্রিনল্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১০. ইনোভা ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১১. মাকস ড্রাগস, 
১২. মেডিম্যাট ল্যাবরেটরিজ, 
১৩. মডার্ন ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৪. মাইস্টিক ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৫. ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিজ, 
১৬. অর্গানিক হেলথ কেয়ার, 
১৭. ওয়েস্টার ফার্মা, 
১৮. প্রিমিয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৯. প্রাইম ফার্মাসিউটিক্যাল, 
২০. সীমা ফার্মাসিউটিক্যাল, 
২১. ইউনাইটেড কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল  
২২. হোয়াইট হর্স ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড
সব ধরনের এন্টিবায়োটিক ওষুধ উৎপাদনের লাইসেন্স বাতিল করা ১৪টি কোম্পানির মধ্যে রয়েছে 
. আলকাদ ল্যাবরেটরিজ, 
. বেলসেন ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. বেঙ্গল ড্রাগস, 
. ব্রিস্টল ফার্মা, 
. ক্রিস্টাল ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. মিল্লাত ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. এমএসটি ফার্মা, 
. অরবিট ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১০. ফার্মিক ল্যাবরেটরিজ, 
১১. ফনিক্স কেমিক্যাল, 
১২. রাসা ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৩. সেভ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড ইত্যাদি
যে ২০টি কোম্পানির মেডিসিন উৎপাদনের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে, এতে করে তারা সব ধরনের ঔষধ উৎপাদনের সুযোগ হারালো
. এক্সিম ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. এভার্ট ফার্মা, 
. বিকল্প ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. ডলফিন ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. ড্রাগল্যান্ড, 
. গ্লোব ল্যাবরেটরিজ, 
. জলফা ল্যাবরেটরিজ, 
. কাফিনা ফার্মাসিউটিক্যাল, 
. মেডিকো ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১০. ন্যাশনাল ড্রাগ, 
১১. নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১২. রিমো কেমিক্যাল,
১৩. রিড ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৪. স্কাইল্যাব ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৫. স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৬. স্টার ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৭. সুনিপুণ ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৮. টুডে ফার্মাসিউটিক্যাল, 
১৯. ট্রপিক্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল
২০.ইউনিভার্সেল ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড
জনসাধারণকে এসব কোম্পানির ঔষধ থেকে সাবধান ক্রয় থেকে বিরত থাকার বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
‪#‎শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন যেন সবাই সচেতন হয় এবং জীবনহানিকর মেডিসিন চিনতে পারে।
এদের নাম কোনদিন শুনেছি বলে মনে পড়ে না। কোম্পানি গুলো জড়ো কেমন অচেনা এরা মনে হয় গ্রামে আর মফস্বল শহরে মানুষকে ধোঁকা দেয়। গ্রামের রোগীরা কোয়াক ডাক্তারকে দেখিয়ে ভাল না হয়ে যখন আমাদের কাছে আসে, তখন দেখি তাদের কাছে ওষুধের বিশাল প্যাকেট। সব এইসব অখ্যাত কোম্পানীর ওষুধ। কিন্তু দাম রেখেছে ভাল ব্রাণ্ডের দামের সমান। লিবরার নাম নাই কেন, অবাক করার বিষয়। এই কোম্পানীর ইনফিউশন ফ্লুইডে সারা বছরই শ্যাওলা পাওয়া যায়। মনে হয়, শ্যাওলার চাষ করে স্যালাইনের মধ্যে


Friday, August 12, 2016

শীতকালে শুষ্ক ত্বকের কারন,শীতকালে

শীতকালে শুষ্ক ত্বকের কারন। 

শীতকালে শুষ্ক শীতল হাওয়া ও বাতাসে বেড়ে যাওয়া ধুলাবালুর কারণে ত্বক হয়ে যায় খসখসে ও মলিন। এর ফলে দেখা দেয় নানা সমস্যা, যেমন ত্বক ফেটে যাওয়া, ত্বকে চুলকানি ইত্যাদি। তাই শীতকালে ত্বকের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় দরকার বাড়তি যত্ন ও সতর্কতা।
ত্বকের শুষ্কতা
শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য ত্বক স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত হারিয়ে ফেলে। তাই শীতকালে গোসলে সাবান কম ব্যবহার করুন। আর করলেও ময়েশ্চারাইজিং সাবান ব্যবহার করুন। এতে ত্বকে খসখসে ভাব কমে আসবে।
রাতে ঘুমানোর আগে ও গোসলের পর নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করলে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হবে। ফলে চুলকানিও হবে না এবং ত্বকও ফাটবে না। ত্বকের আর্দ্রতা ও ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে রোজ গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে অলিভ অয়েল অথবা লিকুইড প্যারাফিন মাখতে পারেন।
চুলের যত্ন
শীতের সময় চুলে খুশকির উপদ্রব বেড়ে যায়। খুশকিমুক্ত থাকতে নিয়মিত সপ্তাহে দুই দিন কিটোকোনাজল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
হাতের তালু ও পায়ের তলার যত্ন
এ সময় ১০ ভাগ ইউরিয়া, ভেসলিন লাগালে হাতের তালু অনেকটা মসৃণ হয়ে আসে। শীতে অনেকের পায়ের তলা ফেটে যায়।
৫ ভাগ সেলিসাইলিক অ্যাসিড অয়েন্টমেন্ট অথবা ভেসলিন নিয়মিত মাখতে পারেন।
মুখের যত্ন
ভালো ময়েশ্চা-রাইজারযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। যাঁদের ব্রণের সমস্যা আছে, তাঁরা ক্রিমের সঙ্গে একটু পানি মিশিয়ে নিতে পারেন।
শীত আসছে বলে ভাববেন না যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
ঠোঁটের যত্ন
ঠান্ডা বাতাসে ঠোঁট বারবার ফেটে যায়। কখনো এতটাই ফেটে যায় যে চামড়া উঠে আসে ও রক্ত বের হয়। কখনোই জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিত নয়।
কুসুম গরম পানিতে পরিষ্কার একটি কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে ঠোঁটে হালকা করে তিন-চারবার চাপ দিন। তারপর ভেসলিন বা গ্লিসারিন পাতলা করে লাগিয়ে নিন। ঠোঁটের জন্য ভালো কোনো প্রসাধনী ব্যাগে রাখুন এবং দিনে তিন-চারবার লাগাতে পারেন।
যাঁদের পুরোনো চর্মরোগ যেমন সোরিয়াসিস, একজিমা, ইকথায়সিস ইত্যাদি আছে, তাঁদের ত্বকের সমস্যা এই সময় বেড়ে যেতে পারে। তাই তাঁদের হতে হবে আরও সচেতন। প্রয়োজনে আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন